
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন, পানি সম্পদ এবং তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, যমুনা বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান নদী যা বাংলাদেশের ভূ-প্রকৃতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
যমুনা নদী ব্যবস্থাপনায় টেকসই নদী শাসন ও বন্যা নিয়ন্ত্রণে টেকসই পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে।
বুধবার রাজধানীর পান্থপথে পানি ভবনে আয়োজিত ‘যমুনা নদীর টেকসই ব্যবস্থাপনার পথ’ শীর্ষক নদী প্রকল্পের সমাপ্তি সেমিনার তিনি এসব কথা বলেন।
উপদেষ্টা বলেন, যমুনা নদী শাসন ও ব্যবস্থাপনায় নদীর আকার-আকৃতি ও বৈশিষ্ট্য এবং সেই সঙ্গে গড়ে ওঠা জীববৈচিত্র্য ও জীবনযাপনের অপরিহার্য উপকরণগুলো অপরিবর্তিত রাখতে হবে। বোরো চাষাবাদের জন্য পর্যাপ্ত পানির সংস্থান ও লবণাক্ততা হ্রাসের প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণের ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।
সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, স্বাধীনতার পর থেকে জাপান বাংলাদেশের পরীক্ষিত বন্ধু। জাপান ও জাপানের জনগণকে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ও অবকাঠামোগত উন্নয়নের জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক মো.এনায়েত উল্লাহর সভাপতিত্বে সেমিনারে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত সাইদা শিনিচি, পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব খন্দকার আজিম আহমেদ, পরিকল্পনা কমিশনের অতিরিক্ত সচিব মো. এনামুল হক প্রমুখ।
স্বাগত বক্তব্য রাখেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের অতিরিক্ত প্রধান নির্বাহী (সিভিল) ব্যবস্থাপনা) ও প্রকল্প পরিচালক ডঃ রবিন কুমার বিশ্বাস।
টেকনিক্যাল সেশনে উপস্থিত ছিলেন জাইকা হেডকোয়ার্টারের পরিচালক ড. মিনামিতানি তাইচি, এক্সপার্ট টিমের উপ-প্রধান ড. ইউয়াসা তাকাসি, জাইকা পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্লানিং ডিভিশনের প্রধান প্রকৌশলী (সিভিল) শ্যামল চন্দ দাস। মডারেটর ছিলেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্ল্যানিং, ডিজাইন ও রিসার্চ) মো. রাফিউস সাজ্জাদ ।
প্লেনেরারি সেশনের উপস্থিতি ছিলেন বুয়েটের প্রফেসর ড. মোহাম্মদ মনসুর রহমান, পানি উন্নয়ন বোর্ডের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী সিভিল-ডিজাইন মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান, পানি উন্নয়ন বোর্ড জাইকার উপদেষ্টা মুরাও কাজুমিটসু প্রমুখ। অনুষ্ঠানে সমাপনী বক্তব্য রাখেন জাইকা বাংলাদেশের উর্ধতন প্রতিনিধি সজি আইজুমি এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক মোঃ এনায়েত উল্লাহ।
আরএস
মন্তব্য করুন