
দেশের জ্বালানি চাহিদা পূরণে আরও এক লাখ টন অপরিশোধিত জ্বালানি তেল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছেছে অয়েল ট্যাংকার ‘এমটি ফসিল’। সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজাইরাহ বন্দর থেকে আসা ট্যাংকারটি হরমুজ প্রণালি এড়িয়ে বিকল্প রুট ব্যবহার করে বাংলাদেশে এসেছে।
শুক্রবার (২২ মে) সকাল পৌণে ১১টার দিকে ছোট অয়েল ট্যাংকারের মাধ্যমে ক্রুড লাইটারিং কার্যক্রম শুরু হয়। এসব অপরিশোধিত জ্বালানি তেল ইস্টার্ন রিফাইনারি পিএলসির (ইআরএল) স্টোরেজ ট্যাংকে সংরক্ষণ করা হবে। পরে শোধন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ডিজেলসহ বিভিন্ন ধরনের জ্বালানি তেল উৎপাদন করা হবে।
ইআরএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শরীফ হাসনাত জানান, এক লাখ টন ক্রুডবাহী ট্যাংকারটি ইতোমধ্যে চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে ভিড়েছে। বর্তমানে ছোট ট্যাংকারে করে তেল স্টোরেজ ট্যাংকে নেওয়ার কাজ চলছে। এরপর শুরু হবে শোধন কার্যক্রম।
এর আগে গত ৬ মে সৌদি আরবের ইয়ানবু বন্দর থেকে এক লাখ টন অপরিশোধিত তেল নিয়ে ‘এমটি নিনেমিয়া’ বাংলাদেশে পৌঁছায়। ওই ট্যাংকারের সব ক্রুড খালাস শেষ হওয়ার পর ২৩ দিন বন্ধ থাকার পর গত ৮ মে পুনরায় চালু হয় ইআরএল। ট্যাংকারটিও হরমুজ প্রণালি এড়িয়ে বিকল্প পথে বাংলাদেশে আসে।
বিকল্প রুট ব্যবহার করায় চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছাতে সময় বেশি লাগলেও, এভাবে নিয়মিত ক্রুড আমদানি চালিয়ে যেতে পারাকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)।
বিপিসি সূত্র জানিয়েছে, ইআরএলের জন্য আগের পরিকল্পনা অনুযায়ী প্রতি মাসে দুটি বড় ট্যাংকারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানি অব্যাহত থাকবে। আপাতত হরমুজ প্রণালি এড়িয়ে ট্যাংকারগুলো চট্টগ্রাম বন্দরে আসবে। তবে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে আগের মতো স্বল্প দূরত্বের হরমুজ রুটে ট্যাংকার চলাচল পুনরায় শুরু হতে পারে।
মন্তব্য করুন