
ইসলামি ইতিহাসে বিরল ঘটনা হিসেবে বিবেচিত, হজরত মুয়াবিয়া ইবনে মুয়াবিয়া আলমুযানি আললাইছি (রা.) ইন্তেকাল করলে তার জানাজায় ৭০ হাজার ফেরেশতা উপস্থিত ছিলেন। সেই সঙ্গে জিবরাইল (আ.) নবীজি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে আগমন করেন এবং নবীজি জিবরাইল (আ.) ও ফেরেশতাদের সঙ্গে জানাজায় শরিক হন।
নবীজি জানাজা শেষে জিবরাইল (আ.)-কে জিজ্ঞেস করেন, কোন আমলের মাধ্যমে মুয়াবিয়া ইবনে মুয়াবিয়া এ উচ্চ মর্যাদায় অধিষ্ঠিত হয়েছেন। জবাবে জিবরাইল (আ.) বলেন, তিনি সব সময়—দাঁড়িয়ে, বসে, হেঁটে হেঁটে এবং বাহনে চড়া অবস্থায়—সুরা ইখলাস তেলাওয়াত করতেন।
সুরা ইখলাস কোরআনের ক্ষুদ্রতম সুরাগুলোর মধ্যে অন্যতম। এটি একনিষ্ঠ বিশ্বাস ও খাঁটি ভক্তির প্রতীক হিসেবে পরিচিত। সহিহ বুখারিতে বর্ণিত, এক ব্যক্তি রাতে বারবার সুরা ইখলাস পড়লে মহানবী (সা.) বলেছেন, ‘ওই সত্তার শপথ! এ সুরা কোরআনের এক-তৃতীয়াংশের সমান।’
উল্লেখ্য, একদল সাহাবি সৈন্য যুদ্ধে পাঠানো হলে একজন সেনাপতি দীর্ঘ সময় শুধুমাত্র সুরা ইখলাস পাঠ করে নামাজ আদায় করেছিলেন। মহানবী (সা.) তার এ আমলকে প্রশংসা করে বলেছিলেন, আল্লাহও তাকে ভালোবাসেন।
আরএস
মন্তব্য করুন