
দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে ৩২ দশমিক ৪৮ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। তবে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) নির্ধারিত বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে হিসাব করলে রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়ায় ২৭ দশমিক ৮২ বিলিয়ন ডলার।
আজ বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য নিশ্চিত করেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, এর আগে গত বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) দেশের গ্রস রিজার্ভ ছিল ৩২ দশমিক ১২ বিলিয়ন ডলার। আইএমএফের বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে তখন রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ২৭ দশমিক ৪৫ বিলিয়ন ডলার।
এরও আগে, গত ৯ নভেম্বর আন্তঃদেশীয় লেনদেন নিষ্পত্তিব্যবস্থা এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের (আকু) বিল পরিশোধের পর দেশের গ্রস রিজার্ভ নেমে আসে ৩১ দশমিক ১৪ বিলিয়ন ডলারে। বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে তা ছিল ২৬ দশমিক ৪৪ বিলিয়ন ডলার। আর তারও আগে, ৬ নভেম্বর গ্রস রিজার্ভ ছিল ৩২ দশমিক ৭১ বিলিয়ন ডলার এবং বিপিএম-৬ অনুযায়ী ২৮ বিলিয়ন ডলার।
বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যান বলছে, ২০২২ সালের মে-জুন সময়কালের আমদানি ব্যয়ের বিপরীতে বাংলাদেশ জুলাই মাসে আকুকে ১ দশমিক ৯৬ বিলিয়ন ডলার পরিশোধ করেছিল, যা সে সময় পর্যন্ত সর্বোচ্চ অঙ্কের বিল ছিল। পরবর্তী সময়ে ২০২৩ সালজুড়ে দ্বিমাসিক আকুর বিল কমে ১ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলারের নিচে নেমে আসে। তবে ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বর-অক্টোবর থেকে আবার বিলের পরিমাণ বাড়তে শুরু করে। চলতি বছরের মে-জুন মেয়াদে আকুর বিল প্রায় ২ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে, যা গত তিন বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ।
উল্লেখ্য, জাতিসংঘের এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশন (ইউএনএসক্যাপ) ১৯৭৪ সালের ৯ ডিসেম্বর এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়ন (আকু) প্রতিষ্ঠা করে। ইরানের তেহরানভিত্তিক এই ব্যবস্থার মাধ্যমে ভারত, বাংলাদেশ, ভুটান, ইরান, মালদ্বীপ, মিয়ানমার, নেপাল, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কাসহ মোট নয়টি দেশের আঞ্চলিক বাণিজ্য লেনদেন নিষ্পত্তি করা হয়।
আরএস
মন্তব্য করুন