আসন্ন ঈদকে সামনে রেখে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। শনিবার (২৩ মে) সকালে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন মূল্যহার ঘোষণা করা হয়। নতুন দাম একই দিন সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছে।
বাজুস জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণ বা পিওর গোল্ডের দাম কমে যাওয়ায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের মূল্য পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে।
নতুন নির্ধারিত দামে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেট স্বর্ণ বিক্রি হবে ২ লাখ ৩৫ হাজার ৯৬৩ টাকায়। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২৫ হাজার ২৩২ টাকা।
১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম রাখা হয়েছে ১ লাখ ৯৩ হাজার ৩৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৫৭ হাজার ২৩১ টাকা।
এর আগে গত ২১ মে স্বর্ণের দাম বাড়িয়েছিল বাজুস। সে সময় প্রতি ভরিতে ২ হাজার ১৫৮ টাকা বৃদ্ধি করে ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৩৮ হাজার ১২১ টাকায় উন্নীত করা হয়েছিল।
তখন ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ছিল ২ লাখ ২৭ হাজার ৩৩১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের দাম ১ লাখ ৯৪ হাজার ৮৪৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছিল ১ লাখ ৫৮ হাজার ৬৮৯ টাকায়।
চলতি বছরে এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ৬৮ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ৩৬ বার দাম বাড়ানো হয়েছে এবং ৩২ বার কমানো হয়েছে।
অন্যদিকে ২০২৫ সালে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছিল। সে বছর ৬৪ বার দাম বৃদ্ধি এবং ২৯ বার কমানো হয়েছিল।
স্বর্ণের দাম কমলেও রুপার বাজারে কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি। বর্তমানে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ৫ হাজার ৬৫৭ টাকায়।
এছাড়া ২১ ক্যারেটের রুপার দাম প্রতি ভরি ৫ হাজার ৩৬৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৪ হাজার ৬০৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপা ৩ হাজার ৪৪১ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
চলতি বছরে এখন পর্যন্ত রুপার দাম ৩৯ বার সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ২১ বার দাম বেড়েছে এবং ১৮ বার কমেছে। আর ২০২৫ সালে মোট ১৩ বার রুপার দাম সমন্বয় করা হয়েছিল, যেখানে ১০ বার দাম বৃদ্ধি এবং ৩ বার হ্রাস করা হয়েছিল।
মন্তব্য করুন