গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে মোট এক হাজার ৬৩১ জন আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছে, যার মধ্যে নিশ্চিত হাম রোগী ২০৮ জন এবং সন্দেহজনক উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত এক হাজার ৪২৩ জন। একই সময়ে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে নিশ্চিত হামে মারা গেছে ৩ শিশু এবং উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে আরও ৪ জন।
স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, এ নিয়ে দেশে হাম সন্দেহে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৮৮ জনে। এর মধ্যে নিশ্চিত হামে মৃত্যু হয়েছে ৮৩ শিশুর এবং উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে ৪০৫ শিশু।
বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য অধিদফতরের কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ১৫ মার্চ থেকে ২১ মে সকাল ৮টা পর্যন্ত দেশে মোট ৫৯ হাজার ২৭৯ জনের শরীরে সন্দেহজনক হামের উপসর্গ পাওয়া গেছে। এ সময়ের মধ্যে নিশ্চিত হাম শনাক্ত হয়েছে ৮ হাজার ২৭৫ জনের শরীরে।
এ ছাড়া এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৪৬ হাজার ৪০৭ জন। চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৪২ হাজার ৩৩৬ জন।
গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া ৭ শিশুর মধ্যে ঢাকা বিভাগে ২ জন, চট্টগ্রামে ৪ জন এবং সিলেট বিভাগে ১ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছে ঢাকা বিভাগে। সেখানে নতুন করে ৬৫৬ জনের শরীরে হামের উপসর্গ পাওয়া গেছে, যার মধ্যে নিশ্চিত রোগী রয়েছে ১২৫ জন।
বিভাগভিত্তিক মৃত্যুর পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, নিশ্চিত হামে সবচেয়ে বেশি ৪৯ শিশুর মৃত্যু হয়েছে ঢাকা বিভাগে। এছাড়া সন্দেহজনক হামের উপসর্গ নিয়ে রাজশাহী বিভাগে ৭৮ জন, সিলেটে ৪০ জন, চট্টগ্রামে ৩৯ জন, ময়মনসিংহে ৩৪ জন, বরিশালে ২৯ জন, খুলনায় ২১ জন এবং রংপুর বিভাগে ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শিশুদের নিয়মিত টিকাদানে ঘাটতি, অপুষ্টি এবং সময়মতো চিকিৎসা না পাওয়াই বর্তমান প্রাদুর্ভাবের বড় কারণ হিসেবে সামনে এসেছে।
মন্তব্য করুন